
রিপোর্টার

গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশান্তরী বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান অবশেষে মুখ খুলেছেন। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে (IL T20) এমআই এমিরেটসের হয়ে মাঠ মাতালেও সাকিবের ভাবনায় এখন শুধুই দেশে ফেরা এবং বিসিবির ‘ব্যর্থতা’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বিসিবি ও সরকারের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনি নিজের দেশে ফেরার পথে আকস্মিক বাধার নেপথ্য কাহিনীও ফাঁস করেছেন।
দুবাই থেকে ফেরার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ যেভাবে লাল হয়ে গেলসাকিব জানিয়েছেন, দেশে ফেরার জন্য তাঁকে সরাসরি ক্রীড়া ও আইন উপদেষ্টারা সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন। এমনকি বিসিবি থেকেও পূর্ণ নিশ্চয়তা পেয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্লেনে উঠেছিলেন। কিন্তু দুবাইয়ে ট্রানজিটের সময় নাটকীয় মোড় নেয় ঘটনাটি। সাকিবের ভাষ্যমতে, "দুবাইয়ে নামার পর সব জায়গা থেকে বলা হলো পরিস্থিতি ১২ ঘণ্টার মধ্যে বদলে গেছে। আমাকে না আসতেই পরামর্শ দেওয়া হলো। ফলে আর আসা হয়নি।" সাকিবের এই বক্তব্যে ফুটে উঠেছে তৎকালীন অনিশ্চয়তার চিত্র।
বিসিবি কি সরকারের হাতের পুতুল?ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের প্রভাব নিয়ে সাকিব কড়া সমালোচনা করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। যদি বিসিবি সরকারের চাপের কথা বলে আমাকে দেশে ফেরাতে ব্যর্থ হয়, তবে সেটা তাদের চরম ব্যর্থতা। বিদ্রূপের ছলে সাকিব বলেন, "ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকলে তো বিষয়টি আইসিসিতে যাওয়া উচিত এবং বিসিবিকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত!"
গণমাধ্যমকে সাকিবের সরাসরি বার্তাফেব্রুয়ারিতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতায় রদবদল হলে তিনি দেশে ফিরবেন কি না—এমন প্রশ্নে সাকিব সাংবাদিকদের ওপরই চড়াও হন। তিনি সরাসরি বলেন, ভয় না পেয়ে সঠিক প্রশ্নটি সরকারকে করা উচিত। সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এই সত্য খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তিনি। গত ১৬ মাস জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে না নামলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়ানো এই তারকা এখন তাকিয়ে আছেন দেশের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের স্বচ্ছতার দিকে।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৩ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৪ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬