
নিজস্ব প্রতিবেদক: শুধু দুর্দান্ত বললে কম বলা হবে—বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলাম এক ম্যাচেই করে ফেলেছেন ইতিহাস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে রীতিমতো বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই তরুণ।
১০ ওভারে ২টি মেডেনসহ মাত্র ৩৯ রানে তুলে নিয়েছেন ৫টি মূল্যবান উইকেট। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো, এই ১০ ওভারে তিনি করেছেন ৪১টি ডট বল—যা আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে একজন বোলারের করা অন্যতম সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ড।
ওয়ানডে ফরম্যাটে যেখানে ব্যাটাররা সবসময়ই রান তুলতে মরিয়া, সেখানে তানভীরের এমন নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিল নিঃসন্দেহে দুর্দান্ত এক নিদর্শন। তার স্পিনে দিশেহারা শ্রীলঙ্কান ব্যাটাররা একের পর এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে।
তানভীরের বোলিং পরিসংখ্যান:
* ওভার: ১০
* মেডেন: ২
* রান: ৩৯
* ইকোনমি রেট: ৩.৯০
* উইকেট: ৫
* ডট বল: ৪১
এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলস্বরূপ ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তানভীর ইসলামের হাতে। ম্যাচজুড়ে তার প্রতিটি স্পেলেই ছিল ছন্দ, ছিল নিখুঁত লাইন ও লেংথে বল করে চাপ তৈরির ধারাবাহিকতা। বিশেষ করে মিডল ওভারে তার আঘাতেই ধসে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপ।
বিশেষজ্ঞদের মতে,“তানভীরের এই পারফরম্যান্স কেবল এক ম্যাচে জয় এনে দিয়েছে না, বরং এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্পিন আক্রমণের জন্য একটি মাইলফলক। দেশের তরুণ বোলারদের জন্য এটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”
এই জয়ে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস পেয়েছে নতুন উচ্চতা, আর আইসিসি র্যাঙ্কিংয়েও এক ধাপ এগিয়ে গেছে টাইগাররা।
কোনো আড়ম্বর নয়, নিজের কাজ দিয়েই ইতিহাস গড়েছেন তানভীর ইসলাম—আর এখন তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত নাম।
সোহাগ/

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬