
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি দুনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি মার্ক জাকারবার্গ। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং মেটা প্ল্যাটফর্মের সিইও হিসেবে তার নামের ওজন হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু সব ওজন যেন এক মুহূর্তে হালকা হয়ে গেল, যখন তাকে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হলো।
এই চমকপ্রদ ঘটনাটি ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি উচ্চপর্যায়ের সামরিক বৈঠক চলাকালীন সময়ে। ৩ জুলাই নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে দাবি করে, হোয়াইট হাউসে এক গোপন সামরিক প্রকল্প—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছিল। সেই বৈঠকে ছিলেন দেশের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা, আর সেখানেই ‘অপ্রত্যাশিতভাবে’ প্রবেশ করেন জাকারবার্গ।
বিস্ময় আরও বাড়ে যখন জানা যায়, তিনি ছিলেন না সেই বৈঠকের আমন্ত্রিতদের তালিকায়। এমনকি তার সেই নির্দিষ্ট বৈঠকের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ছাড়পত্রও ছিল না। ফলে বিষয়টিকে ‘নিরাপত্তা লঙ্ঘন’ হিসেবে চিহ্নিত করে সেনা কর্মকর্তারা তাকে কক্ষ ত্যাগ করতে বলেন—তাৎক্ষণিকভাবে।
ঘটনার এই বর্ণনা ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তোলপাড়। কেউ বলছে, জাকারবার্গ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘প্রভাব বিস্তারের জন্য’ গিয়েছিলেন, কেউ বলছে এটা নিছক ভুল বোঝাবুঝি।
তবে পুরো ঘটনার অন্যরকম ব্যাখ্যা দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। তাদের মতে, ঘটনাটি যতটা নাটকীয়ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, বাস্তবে ততটা নয়। হোয়াইট হাউসের একাধিক সূত্র জানায়, জাকারবার্গ ওই কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুরোধেই—শুধু সৌজন্য বিনিময়ের জন্য। বৈঠকের মূল আলোচনায় অংশগ্রহণ না করে, তিনি নিজেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান, কারণ তার মূল বৈঠকটি ছিল সামরিক সেশন শেষ হওয়ার পর।
তবুও প্রশ্ন থেকেই যায়—এই ঘটনাটি কি নিছক এক ভুল সময়ে উপস্থিতি? নাকি রাজনীতির জটিল খেলায় নতুন একটি চাল?
জাকারবার্গের রাজনৈতিক অবস্থান বরাবরই আলোচনার বিষয়। একসময় ডেমোক্র্যাটপন্থী বলে পরিচিত হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তার অবস্থান অনেকটাই পাল্টেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ অনুষ্ঠানগুলোতে তার উপস্থিতি, এমনকি ২০২৫ সালে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে তাকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে দেখা যাওয়া—সবই ইঙ্গিত দেয় অন্য কিছুর।
তবে এই ঘটনাটি কেবল একটি ‘দরজার ভেতরে-বাইরের’ বিষয় নয়। এটি স্পষ্ট করে দেয়, মার্কিন রাজনীতিতে প্রযুক্তি জায়ান্টদের প্রভাব কতটা গভীরে প্রবেশ করেছে, এবং ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে কারা জায়গা করে নিচ্ছে।
সুতরাং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই অদ্ভুত মুহূর্তটি কাকতালীয়, না কি বড় কোনো ঘটনার পূর্বাভাস? ট্রাম্প-জাকারবার্গ সম্পর্কের এই সূক্ষ্ম টানাপোড়েন ভবিষ্যতে কী রূপ নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১ দিন আগে

বিশ্বজুড়ে আবারও বেড়েছে ভূমিকম্পের তৎপরতা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে অন্তত ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ২ দশমিক ০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে ভূকম্পন রেকর্ড হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
৬ দিন আগে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোর একটি হলো বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, কুয়েত, ওমান, সিঙ্গাপুর, ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিস্তার এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছেও প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
১৯ জুলাই ২০২৬

পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার জমির মূল্য এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল রিয়েল এস্টেট বাজারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর আশপাশের জমির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর জমির মূল্যের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করছে। ধর্মীয় গুরুত্ব, সীমিত জমি, বিপুল সংখ্যক মুসল্লির আগমন এবং সৌদি আরবের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্প সবকিছু মিলিয়ে এই দুই শহরের ভূমির মূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
১৮ জুলাই ২০২৬

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের কম্পন শুধু মেক্সিকোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পার্শ্ববর্তী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও তা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সম্ভাব্য সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে উপকূলজুড়ে শুরু হয়েছে সতর্কতা, উদ্বেগ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের তৎপরতা।
১৮ জুলাই ২০২৬

বিদেশে কর্মরত লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি, আমদানি-রপ্তানিকারক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং বিদেশ ভ্রমণপ্রত্যাশীদের জন্য প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ওপর নির্ভর করে প্রতিদিনই মুদ্রার দামে কিছু না কিছু পরিবর্তন ঘটে।
১৪ জুলাই ২০২৬

ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার পথে একটি বড় অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশ ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং অ্যাস্ট্রা দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সমঝোতা শুধু দুই দেশের সামরিক সম্পর্কই নয়, বরং পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
৯ জুলাই ২০২৬

বিদেশি পর্যটক, দক্ষ পেশাজীবী এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে প্রবেশ এবং বসবাসের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় পর্যটক ভিসা অনুমোদন, বিনিয়োগকারীদের আবাসিক ভিসার নিয়ম শিথিল করা এবং চিকিৎসাপ্রার্থীদের জন্য নতুন স্মার্ট মেডিকেল ভিসা চালুর উদ্যোগ।
৪ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন এক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে এবং এই ঘটনার দায়ীরা রেহাই পাবে না।
৩ জুলাই ২০২৬