
নিজস্ব প্রতিবেদন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের ব্যর্থতা ভুলে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ দল। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আজ (২ জুলাই) মাঠে গড়াবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়।
এই ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে টাইগারদের এক নতুন অধ্যায়। কারণ একাদশে থাকছেন না 'পঞ্চপাণ্ডব' নামে পরিচিত পাঁচ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার—মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। ফলে একেবারে ভিন্ন এক রূপে দেখা যাবে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে।
এরই মধ্যে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ নিজেরা ওয়ানডে দলে থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন, যা আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ওপেনিংয়ে তরুণ তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ইনিংস শুরু করবেন অভিজ্ঞ লিটন দাস। তিন নম্বরে থাকবেন সদ্য অধিনায়কত্ব ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত। চারে খেলবেন ইন-ফর্ম ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়। তার পরে পাঁচ নম্বরে নামবেন অধিনায়ক মিরাজ।
মাহমুদউল্লাহর ফিনিশারের জায়গায় উইকেটকিপার ব্যাটার জাকের আলীর ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
স্পিন বোলিংয়ে মিরাজকে সহায়তা করবেন রিশাদ হোসেন। প্রেমাদাসার স্পিন সহায়ক উইকেট বিবেচনায় একাদশে সুযোগ পেতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামও।
পেস বিভাগে নেতৃত্বে থাকবেন তাসকিন আহমেদ। তার সঙ্গে দেখা যাবে মোস্তাফিজুর রহমান এবং তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে।
সম্ভাব্য একাদশ – বাংলাদেশ
তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), জাকের আলী (উইকেটকিপার), রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও তাসকিন আহমেদ।
এখন দেখার বিষয়, অভিজ্ঞতা নয়, তরুণদের নিয়ে গড়া এই দল কেমন পারফর্ম করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ঘিরে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬