
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস আত্মগোপনে থাকার পর হঠাৎই প্রকাশ্যে এলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মধ্যরাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ফের সরব হয়ে জানিয়ে দিলেন— আওয়ামী লীগকে ছাড়া বাংলাদেশে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।
এই ভিডিওটি প্রথম সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত সাবেক নেতা সিদ্দিকী নাজমুল আলম। তিনি লিখেন, “দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সামনে এলেন দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।”
ভিডিওতে কাদের বলেন, “আজকের বিচারব্যবস্থা যেন ক্যাঙ্গারু কোর্টের মতো। আমাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা পালিয়ে যাব না। প্রয়োজনে বিএনপির ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়েও আশ্রয় নেব, কিন্তু প্রতিরোধ থেমে থাকবে না।”
এই বক্তব্যে আবারও ফিরে এসেছে ওবায়দুল কাদেরের চিরচেনা কড়া রাজনৈতিক ভাষা। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কেবল একজন রাজনীতিকের বক্তব্য নয়, বরং আগামী নির্বাচনের আগে নতুন একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইঙ্গিত।
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এই দেশে কোনো নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।”
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে কাদের প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন— তারা আদৌ নির্বাচন দেবে কি না, সেই সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।তার ভাষায়, “সংস্কারপন্থী জোটের নামে যে অশুভ জোট গঠিত হয়েছে, তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা এই ধারা রুখে দেব।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে এক নাটকীয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা ঘটে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারায়, এবং নতুন সরকার গঠিত হয়। এরপর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান দলের অনেক শীর্ষ নেতা। সেই সময় থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ওবায়দুল কাদের।
তার এই আকস্মিক আবির্ভাব ও নির্বাচনী বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি হয়তো আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য ‘পুনরুদ্ধার যুদ্ধের’ সূচনা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিও বার্তা কেবল একটি বিবৃতি নয়— বরং এটি একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতারও বার্তাবাহক। এখন দেখার বিষয়, সরকারের পক্ষ থেকে কী প্রতিক্রিয়া আসে।
–সোহাগ/

মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে প্রায় দুই বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটাতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ডিসেম্বরের দিকেই তিনি দেশে ফেরার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছেন। তবে লুকিয়ে নয়, বরং দেশে ফিরেই দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
৩ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে বুধবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সকালে সিলেটে সফরের শুরুতেই বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকে দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর বিকেলেই সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
১৭ জুন ২০২৬

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনি প্রচারণায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার দাবি, সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার করে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।
৯ জুন ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
৪ জুন ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন করে সরব হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটির দাবি, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়; বরং এর পেছনে থাকতে পারে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। তাই ঘটনার পূর্ণ সত্য উদঘাটনে জাতিসংঘের অধীনে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা।
৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে সরকারি সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার কয়েকজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে আবারও সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ ফিরে পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
২৬ মে ২০২৬

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র রাজনীতিতে গড়ে ওঠা ঐক্যকে ধ্বংস করতে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি সরাসরি জামায়াত-শিবিরকে লক্ষ্য করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, মব সৃষ্টি, চরিত্রহননসহ নানা অরাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা ছাত্রসমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।
১৯ মে ২০২৬

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তরুণ ছাত্রনেতা মোঃ মোফাজ্জল হোসেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১৯ মে ২০২৬

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়, তা নিয়ে এবার নতুন তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। ওই দিন বোনকে নিয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
১৮ মে ২০২৬