
নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার, ১৩ জুন, লন্ডনের অভিজাত হোটেল ডোরচেস্টারে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা থেকে ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত)। শুরু থেকেই বৈঠকের পরিবেশ ছিল আন্তরিক ও উষ্ণ।
হোটেলের দিকে হাঁটার সময়ই দুই নেতা পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানান।ড. ইউনূস বলেন, “খুব ভালো লাগছে।”তারেক রহমান হাসিমুখে জবাব দেন, “আমারও খুব ভালো লাগছে। I feel honoured.”জবাবে ড. ইউনূস বলেন, “আসুন, চলুন বসি।”
বৈঠকের শুরু থেকেই দুই নেতার মধ্যে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ছাপ ছিল স্পষ্ট।ড. ইউনূস খোঁজ নেন, “আপনার শরীর কেমন? ভালো আছেন?”জবাবে তারেক রহমান হেসে বলেন, “এই যাচ্ছে... কেটে যাচ্ছে।”
আলোচনার একপর্যায়ে তারেক রহমান জানান, “আম্মা (বেগম খালেদা জিয়া) আপনার জন্য সালাম জানিয়েছেন।”উত্তরে ড. ইউনূস বলেন, “উনি একজন অসাধারণ মানুষ।”
বৈঠকের মাঝে আবহাওয়া ও চারপাশের পরিবেশ নিয়েও তাঁদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কথা হয়।তারেক রহমান বলেন, “আজকের আবহাওয়া বেশ মনোরম।”ড. ইউনূস সম্মতি জানিয়ে বলেন, “দারুণ। হোটেলটাও খুব চমৎকার জায়গায় অবস্থিত।”তিনি আরও বলেন, “ব্রিটেনে হাঁটার দারুণ পরিবেশ আছে। আমি যেখানে থাকি, সেখানে পার্কে নিয়মিত হাঁটতে যাই।”
এক ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের এই দীর্ঘ বৈঠকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। দুই নেতার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
বৈঠকের শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান ড. ইউনূসকে দুটি বই ও একটি কলম উপহার দেন। ড. ইউনূস উপহারগুলো আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেন এবং তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এরপর তিনি হোটেল ডোরচেস্টার ত্যাগ করেন।
সোহাগ/

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১ দিন আগে

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
১ দিন আগে

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
১ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
২ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
৩ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ভিডিওটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কবে এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।
৪ দিন আগে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি পরিকল্পিতভাবে গোপনে ধারণ করা হয়েছে এবং পরে সেটি ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে।
৫ দিন আগে

মৃত্যুদণ্ডের সাজা মাথায় নিয়ে প্রায় দুই বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটাতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ডিসেম্বরের দিকেই তিনি দেশে ফেরার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছেন। তবে লুকিয়ে নয়, বরং দেশে ফিরেই দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে নিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
১০ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি মন্তব্যকে ঘিরে বুধবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সকালে সিলেটে সফরের শুরুতেই বিমানবন্দরে উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকে দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর বিকেলেই সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে জাতীয় সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
১৭ জুন ২০২৬