
নিজস্ব প্রতিবেদক: আইপিএল ২০২৫-এর জমজমাট ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে পাঞ্জাব কিংস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মাঠে গড়াবে এই মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচ। যদিও আবহাওয়া নিয়ে রয়ে গেছে বড় শঙ্কা।
প্রথমে ফাইনাল ম্যাচটি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও বর্ষার পূর্বাভাসে স্থান বদলে নেওয়া হয়। কিন্তু আহমেদাবাদেও বৃষ্টি চোখ রাঙাচ্ছে।
আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৩ জুন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৫০ শতাংশের বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সন্ধ্যার পর কিছুটা উন্নতির আভাস থাকলেও বৃষ্টির কারণে ম্যাচে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে বৃষ্টি হলে ম্যাচ চালিয়ে নেওয়ার জন্য থাকছে বাড়তি ১২০ মিনিট অতিরিক্ত সময়। তাতেও ম্যাচ শুরু না হলে রাখা হয়েছে ৪ জুন—রিজার্ভ ডে। ওইদিন আবহাওয়া তুলনামূলক ভালো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিন্তু রিজার্ভ ডেতেও যদি ম্যাচ মাঠে না গড়ায়, তবে লিগ পর্বে এগিয়ে থাকা দল হিসেবে পাঞ্জাব কিংস-কে আইপিএল ২০২৫-এর চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, দুদলই এখনও পর্যন্ত আইপিএলে শিরোপা জিততে পারেনি।
* পাঞ্জাব কিংস একবার, ২০১৪ সালে ফাইনালে উঠে হেরেছিল কলকাতার কাছে।
* বেঙ্গালুরু তিনবার ফাইনালে খেললেও, প্রতিবারই খালি হাতে ফিরেছে।
চলতি মৌসুমে দুই দলই ১৪ ম্যাচে ৯টি করে জয় অর্জন করে। কোয়ালিফায়ার-১-এ পাঞ্জাব হারায় বেঙ্গালুরুকে, এরপর কোয়ালিফায়ার-২ জিতে তারা আবার মুখোমুখি হচ্ছে ফাইনালে।
সবকিছু ঠিক থাকলে ক্রিকেট ভক্তরা এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখতে পাবেন। তবে প্রকৃতি যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়—তাহলে প্রথমবারের মতো আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে ভাসবে পাঞ্জাব কিংস।
আশা/

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬