
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ক্রিকেট কি আবারও ফিরে পেতে যাচ্ছে তার হারানো গৌরব? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। গুঞ্জন চলছে, বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এবার দেখা যেতে পারে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক এবং অন্যতম সফল ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজাকে!
বিশ্বস্ত সূত্র জানাচ্ছে, বোর্ডের ‘ক্রিকেট অপারেশনস’ বিভাগে অথবা পরামর্শকের ভূমিকায় মাশরাফিকে যুক্ত করতে চাইছেন বর্তমান সভাপতি। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য—দলের নেতৃত্ব সংকট কাটানো, পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে শক্ত করে গড়ে তোলা।
একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র মন্তব্য করেছেন, “মাশরাফি শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি এক অনন্য নেতৃত্বগুণের প্রতীক। তাঁকে বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা মানে মাঠের ভেতরে ও বাইরে একটি অনুপ্রেরণার মূর্ত প্রতীককে তরুণদের সামনে তুলে ধরা।”
একদিকে আমিনুল ইসলাম বুলবুল—যিনি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পথিকৃৎ, অন্যদিকে মাশরাফি—যিনি সাহস, সংকল্প ও সাফল্যের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। যদি এই দুই কিংবদন্তি বোর্ডের নীতিনির্ধারক পরিসরে একত্র হন, তবে তা নিঃসন্দেহে হতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক নতুন যুগের সূচনা।
যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে, বোদ্ধা থেকে শুরু করে সাধারণ ভক্ত পর্যন্ত, সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই যুগল নেতৃত্বের বাস্তবায়নের। অনেকেই বলছেন—“এটাই হতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্ভাব্য নতুন স্বর্ণযুগের প্রথম পা ফেলা।”
সোহাগ/

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬