
রিপোর্টার

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ঘরের মাঠ ‘নু স্টেডিয়ামে’ দারুণ এক জয় পেয়েছে ইন্টার মিয়ামি। শুরুতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক লিওনেল মেসির গুরুত্বপূর্ণ গোলে ন্যাশভিলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে মিয়ামি।
তবে ম্যাচের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো ছিল না ইন্টার মিয়ামির। খেলা শুরুর মাত্র ৪ মিনিটেই স্যাম সারিজের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারী ন্যাশভিল। দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়লেও ম্যাচে ফেরার জন্য আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয় মিয়ামি।
এর ফলও আসে প্রথমার্ধেই। ম্যাচের ১৯ মিনিটে ন্যাশভিলের রিড বেকার-হোয়াইটিংয়ের আত্মঘাতী গোল ইন্টার মিয়ামিকে সমতায় ফিরিয়ে আনে। এরপর দুই দলই আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। ১-১ সমতায় বিরতিতে যায় ম্যাচ।
দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের আধিপত্য আরও বাড়ায় ইন্টার মিয়ামি। আর ৬২ মিনিটে সেই আধিপত্যকে গোলে রূপ দেন দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দুর্দান্ত এক ফিল্ড গোল করে আর্জেন্টাইন তারকা মিয়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
মেসির গোলের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় ন্যাশভিল। তবে মিয়ামির রক্ষণভাগ আর কোনো গোল হতে দেয়নি। শেষ বাঁশি পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান অক্ষুণ্ন থাকায় ঘরের মাঠে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ইন্টার মিয়ামি।
বল দখল ও পাসিংয়ে এগিয়ে মিয়ামি
ম্যাচের পরিসংখ্যানেও ইন্টার মিয়ামির আধিপত্যের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। পুরো ম্যাচে ৫৮ শতাংশ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল মিয়ামি। ন্যাশভিলের বল দখলের হার ছিল ৪২ শতাংশ।
শট নেওয়ার ক্ষেত্রেও দুই দলের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য ছিল না। ইন্টার মিয়ামি মোট ১০টি শট নেয়, যার মধ্যে ৩টি ছিল অন-টার্গেট। বিপরীতে ন্যাশভিল ১১টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ১টি।
পাসিংয়েও স্বাগতিকরা এগিয়ে ছিল। ইন্টার মিয়ামি পুরো ম্যাচে ৪৮৪টি পাস খেলেছে এবং তাদের পাসের নির্ভুলতা ছিল ৯২ শতাংশ। ন্যাশভিলের পাসের সংখ্যা ছিল ২৯৪টি, আর পাসের নির্ভুলতা ছিল ৮৯ শতাংশ।
ফাউলে এগিয়ে ন্যাশভিল, লাল কার্ড নেই
ম্যাচে ন্যাশভিলের খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক মনোভাবও পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। তারা মোট ১৭টি ফাউল করেছে এবং পেয়েছে ২টি হলুদ কার্ড। অন্যদিকে ইন্টার মিয়ামি ফাউল করেছে ৯টি এবং তাদের একজন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেছেন।
তবে ম্যাচে কোনো দলই লাল কার্ড দেখেনি।
শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরা এবং শেষ পর্যন্ত মেসির গোলে জয়—সব মিলিয়ে ন্যাশভিলের বিপক্ষে ইন্টার মিয়ামির ম্যাচটি ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ এক উদাহরণ। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে লিওনেল মেসির দল।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এ মাসে জাপান ও স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে কার্লো আনচেলত্তির দল। দুই ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ফলে ব্রাজিলের সমর্থকেরা বাংলাদেশ সময় বিকেলেই ম্যাচ দুটি উপভোগ করতে পারবেন।
৪ দিন আগে

এশিয়ার মাটিতে আবারও দেখা যাবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। আগামী নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে চার জাতির ফুটবল আয়োজনে দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জাপান, আর দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক সিঙ্গাপুর।
৪ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। শনিবার (৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। এস্তেভাও, পেদ্রো ও স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে দলটি। স্যামুয়েল লিনো করেছেন জোড়া গোল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে থাকা ব্রাজিলকে পিছনে রেখেই দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় নেমেছে ভারত। বিরতির পর শুরু হয়েছে ম্যাচের শেষ ৪৫ মিনিটের লড়াই।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে চলছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে প্রথমবার মুখোমুখি হওয়া দুই দলের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল।
৩ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আজ শনিবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল। সিনিয়র পুরুষ জাতীয় দলের পর্যায়ে এই প্রথমবার একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামছে দুই দল। ফলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হলেও ভারত-ব্রাজিলের এই লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
৩ অক্টোবর ২০২৬

বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের মাটিতে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও ভারত। শনিবার (৩ অক্টোবর) কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
২ অক্টোবর ২০২৬

জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ফিফা আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই ছয় গোল হজম করেছে জামাল ভূঁইয়ার দল। বিপরীতে বাংলাদেশের হয়ে একটি গোল করেছেন শাহরিয়ার ইমন। ফলে বিরতিতে ৬-১ গোলে পিছিয়ে ছিল লাল-সবুজের দল।
১ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর প্রীতি ম্যাচে ৪-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েও প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় ছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে লাতিন আমেরিকার দলটি। ম্যাচে গোল করেছেন ভ্যান্ডারসন, রাফিনহা, ব্রুনো গিমারায়েস ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬