সিনিয়র রিপোর্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক: এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন দ্রুত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠাতে কার্যক্রম জোরদার করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ লক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে এমপিও বিল জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাউশি থেকে জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিল সাবমিট না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব হবে না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল জমা বাধ্যতামূলক
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ইএমআইএস (EMIS) সিস্টেমে লগ-ইন করে ফেব্রুয়ারি মাসের বিল ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনলাইনে জমা দিতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে বেতন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তথ্যের নির্ভুলতায় জোর
ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে প্রতিটি শিক্ষক ও কর্মচারীর জন্য পৃথকভাবে প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে। ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের কারণে যদি কারও বেতন আটকে যায়, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে বলে নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে।
বিলের কপি সংরক্ষণে নির্দেশ
অনলাইনে বিল সাবমিট করার পর সেটি ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষরসহ সংরক্ষণ করতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো প্রশাসনিক বা আর্থিক জটিলতা দেখা দিলে এই কপিই প্রামাণ্য নথি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
বিশেষ পরিস্থিতিতে আলাদা উল্লেখ প্রয়োজন
তালিকাভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি মৃত্যুবরণ করেন বা পদত্যাগ করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট মাসের প্রাপ্য অর্থ বিধি অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। একইভাবে সাময়িক বরখাস্ত, অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বেতন কর্তন বা বন্ধ করার প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিট অপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
ভ্যালিড জনবলের তথ্যই দৃশ্যমান
বর্তমানে শুধুমাত্র আইবাসে যাচাই করা সঠিক তথ্যগুলোই বিল সাবমিট অপশনে প্রদর্শিত হচ্ছে। যাদের তথ্যে এখনো অসঙ্গতি রয়েছে, যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের তথ্য সিস্টেমে যুক্ত করা হবে।
এই নির্দেশনার মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতি আনার পাশাপাশি অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মাউশি।