রিপোর্টার

হাসান: আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য তৈরি হয়েছে দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা। সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ঈদের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর সঙ্গে জাতীয় ও সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় মার্চের শেষভাগে তৈরি হয়েছে টানা বিশ্রামের সুবর্ণ সুযোগ।
কীভাবে মিলবে টানা ১০ দিনের ছুটি?
ঈদের পাঁচ দিনের সরকারি ছুটির (১৯–২৩ মার্চ) পর রয়েছে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি। এরপর ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার)।
মাঝখানে কেবল ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার ও বুধবার) অফিস খোলা থাকবে। এই দুই দিন ব্যক্তিগত নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মোট ১০ দিনের টানা অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব।
অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ছুটি নিয়েই পাওয়া যাবে দীর্ঘ বিশ্রামের সুযোগ—যা পরিবার নিয়ে ভ্রমণ বা গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনায় বাড়তি স্বস্তি দেবে।
মার্চ ২০২৬: ছুটির বিস্তারিত তালিকা
১৭ মার্চ (মঙ্গলবার): শবে কদরের সরকারি ছুটি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)।
১৮ মার্চ (বুধবার): সাধারণ কর্মদিবস।
১৯–২৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার–সোমবার): ঈদুল ফিতরের ৫ দিনের সরকারি ছুটি।
২৪–২৫ মার্চ (মঙ্গলবার–বুধবার): সাধারণ কর্মদিবস (ব্যক্তিগত ছুটি নেওয়ার সুযোগ)।
২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার): মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি।
২৭–২৮ মার্চ (শুক্রবার–শনিবার): সাপ্তাহিক সাধারণ ছুটি।
বেসরকারি ও গার্মেন্টস খাতে ভিন্ন বাস্তবতা
সরকারি চাকরিজীবীরা যেখানে দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা করতে পারছেন, সেখানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশেষ করে গার্মেন্টস খাতে সাধারণত ৩ থেকে ৪ দিনের ঈদ ছুটি দেওয়া হয়।
তবে অনেক প্রতিষ্ঠানে কাজের চাপ ও উৎপাদন পরিস্থিতি বিবেচনায় ওভারটাইম বা কর্মঘণ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে ছুটি কিছুটা বাড়ানো হয়ে থাকে। ফলে খাতভেদে ছুটির সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।
মার্চের এই ছুটির বিন্যাস ইতোমধ্যেই অনেকের মাঝে ভ্রমণ ও পারিবারিক আয়োজনের পরিকল্পনায় নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।