
রিপোর্টার

দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর অবশেষে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা–এর প্রেক্ষাপটে তার ফেরা দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দেশে ফেরার পথে তারেক রহমানের জন্য রয়েছে বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জ।
পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের বিতর্ক
নানা মহলে তারেক রহমানের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানান, তারেক রহমান অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি এবং তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ট্রাভেল পাস নিয়ে একটি কমার্শিয়াল ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন। সালাহউদ্দিনের মতে, তারেক রহমান দেশে ফিরছেন, ফেরত যাচ্ছেন না।
জনসাধারণের প্রশ্ন ও স্বচ্ছতার অভাব
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোজাম্মেল হোসেন মনে করেন, সাধারণ মানুষের কাছে তারেক রহমানের বিষয়ে অনেক উন্মুক্ত প্রশ্ন রয়েছে। কেন এতদিন দেশে ফেরেননি, লন্ডনে কোন অবস্থায় ছিলেন, আয়ের উৎস কী ছিল এসব নিয়ে জনমনে কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে মা খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময়ও কেন তিনি আসতে পারেননি, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
দলের শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়
দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকায় বৃহৎ দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা তারেক রহমানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। নির্যাতিত নেতাকর্মী ও সুবিধাবাদী অংশকে সামলানো, তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, এবং দলের ভাবমূর্তির পুনর্গঠন এসব দায়িত্ব তার কাঁধে থাকবে।
বাস্তবতা ও নেতৃত্বের পরীক্ষা
দেশে ১৮ বছর অনুপস্থিত থাকায় বর্তমান গ্রাউন্ড রিয়ালিটি–এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াটা সহজ হবে না। দলের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়, বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা পূরণ, এবং নির্বাচনের মাঠে প্রভাব বিস্তার সব ক্ষেত্রেই তাকে দক্ষতা দেখাতে হবে।
নিরাপত্তা ও জনসম্পৃক্ততা
দেশে ফেরা নিয়ে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। পরিবারের সদস্য বা দলের নেতা হিসেবে তিনি বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পেলেও জনসংযোগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার এই বিধিনিষেধ মাঝে মাঝে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শেষ পর্যন্ত, তারেক রহমানের ফেরা বিএনপির নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করেছে, তবে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন তার ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ও নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করবে। রাজনৈতিক মহল এখন বিস্তারিত নজর রাখছে কিভাবে তিনি দলকে নতুন প্রেক্ষাপটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আগামী ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শ্রমবাজার এক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে যেখানে শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন করলেই নিশ্চিত হবে না চাকরি। সময় বদলাচ্ছে, আর সেই সঙ্গে বদলাচ্ছে কাজের ধরন, দক্ষতার চাহিদা এবং সফলতার সংজ্ঞা।
৯ ঘণ্টা আগে

দেশে বর্তমানে মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন এ তথ্য জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি (এমআইএস)-এ সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকার ভিত্তিতে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে

কারাগারে বন্দি থাকলেও বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরের সুযোগ চেয়ে তিনি একটি রিট আবেদন দায়ের করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে

চলতি বছরের পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। একই সঙ্গে এই বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে দেশটিতে টানা ছয় দিনের সরকারি ছুটিও অনুমোদন দিয়েছে আমিরাতের মন্ত্রিসভা।
১১ ঘণ্টা আগে

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষক সংকট দূর করতে দ্রুতই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশের মোট রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
১১ ঘণ্টা আগে

এসএসসি পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নতুনভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ পদ্ধতি। সাম্প্রতিক নীতিমালায় এই ব্যবস্থার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) পদ থেকে ‘সুপারনিউমারারি’ পদোন্নতি পাওয়া এক ডিআইজি এবং ১৬ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে নতুন করে বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে

সৌন্দর্য মানবজীবনের একটি স্বাভাবিক প্রবণতা, যা ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে সংস্কৃতি, বিলাসিতা ও পরিচয়ের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ইসলামে এই সৌন্দর্যচর্চাকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়নি; বরং এটিকে একটি নৈতিক কাঠামোর মধ্যে সংযত ও পরিশীলিতভাবে পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে সৌন্দর্য বিশ্বাস, শালীনতা ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত।
১৩ ঘণ্টা আগে