
মিরপুরে আয়ারল্যান্ড নারী দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স দেখাল বাংলাদেশ। ১৫৪ রানের বিশাল জয় দিয়ে নিজেদের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে টাইগ্রেসরা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ইনিংসের শুরুটা ছিল ধীরগতির। দুই ওপেনার ফারজানা হক ও মুর্শিদা খাতুন ১৮ ওভারে যোগ করেন ৫৯ রান। তবে মুর্শিদা ৬১ বলে ৩৮ রান করে আউট হলে জুটির ইতি ঘটে।
ফারজানা ধীরলয়ে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তার ব্যাট থেকে আসে ১১০ বলে ৬১ রানের ইনিংস। তবে বাংলাদেশের ইনিংসের মূল আলো ছড়িয়েছেন শারমিন সুপ্তা। শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যান।
৪৯তম ওভারে ফ্রেয়া সার্জেন্টের বলে আউট হওয়ার আগে ১৪টি চারে সাজানো ৮৯ বলে ৯৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন সুপ্তা। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয় তাকে।
শেষ দিকে স্বর্ণা আক্তার (১৩*) ও সুবহানা মোস্তারি (৫*) ছোট ছোট অবদান রাখেন। ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশ তোলে ৪ উইকেটে ২৫২ রান, যা তাদের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
২৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে আয়ারল্যান্ড। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মারুফা আক্তারের জোড়া আঘাতে ১০ রানে দুই উইকেট হারায় তারা। সারা ফোর্বস (২৫) ও ওরলা পেন্ডারগাস্ট (১৯) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা বেশিদূর এগোয়নি।
নাহিদা আক্তার আক্রমণে আসার পর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। সারা ফোর্বস, লরা ডেলানি (২২) ছাড়া কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। আইরিশ ব্যাটিং লাইনআপ শেষ হয়ে যায় মাত্র ২৮.৫ ওভারে, ৯৮ রানেই।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সুলতানা খাতুন ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৬ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। পাশাপাশি মারুফা আক্তার ও নাহিদা আক্তার নেন ২টি করে উইকেট। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আয়ারল্যান্ড বড় লজ্জায় পড়ে।
নতুন উচ্চতায় টাইগ্রেসরা১৫৪ রানের এই জয় শুধু বড় ব্যবধানেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর একটি পারফরম্যান্স। ব্যাটে-বলে দারুণ সমন্বয়ে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল টাইগ্রেসরা।
দলের এই ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার আরেকটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। দ্বিতীয় ম্যাচেও তারা জয় ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬

সিলেট টেস্ট এখন রূপ নিয়েছে রোমাঞ্চকর এক ইতিহাসের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের সামনে এমন এক লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ, যা টপকাতে পারলে ভেঙে যাবে টেস্ট ক্রিকেটের বহু বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড।
১৮ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটা যেন পুরোপুরি লিটন দাসের গল্প! একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে টিকে থাকলো টাইগাররা।
১৬ মে ২০২৬