-2.jpg)
রির্পোটার

নূর: এবারে দেশ গড়ার পালা। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর কে কে আসছেন নতুন মন্ত্রিসভায়? তারেক রহমানের নেতৃত্বে কেমন হচ্ছে নতুন সরকার? মন্ত্রিসভায় কি বড় কোনো চমক দেখা যাবে?
বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে একটি ‘পাওয়ারফুল’ টিম নিয়ে আসছে বিএনপি। এই মন্ত্রিসভার মূল আকর্ষণ হবে এটি হবে ছোট ও দক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, ২০-২২ সদস্যের একটি ছোট দল নিয়ে সরকার গঠিত হতে পারে।
বিশেষ গুরুত্ব:
অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন ‘টেকনোক্র্যাট’ বা বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের দেখা যেতে পারে। এছাড়া আন্দোলনে পাশে থাকা শরিক দলগুলোকেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য:
নতুন সরকারের মূল লক্ষ্য হবে ভেঙে পড়া অর্থনীতি সচল করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন ঘটানো। বিশেষ করে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনি রুখতে এই সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার সদস্য ও পদমর্যাদা:
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী সম্ভাব্য নামগুলো হলো:
স্পিকার: ড. আব্দুল মঈন খান
যোগাযোগ মন্ত্রণালয়: মির্জা আব্বাস
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়: সালাউদ্দিন আহমেদ
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
শিক্ষা মন্ত্রণালয়: এ এন এম এহসানুল হক মিলন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা: নজরুল ইসলাম খান
এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নামও আলোচনায় রয়েছে।
নতুন ও টেকনোক্র্যাট মুখ:
মন্ত্রিসভায় বেশ কিছু নতুন ও বিশেষজ্ঞ মুখ যুক্ত হতে পারে:
তথ্য ও যোগাযোগ (টেকনোক্র্যাট): রুহুল কবির রিজভী
জনপ্রশাসন (টেকনোক্র্যাট): ইসমাইল জাবিউল্লাহ
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
পররাষ্ট্র (টেকনোক্র্যাট): হুমায়ুন কবির
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান
শরিক দলের নেতাদের অবস্থান:
শরিক দল থেকে সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন:
ববি হাজ্জাজ
আন্দালিব রহমান পার্থ
নুরুল হক নুর
ড. রেজা কিবরিয়া
প্রেসিডেন্ট পদ:
প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো বর্ষীয়ান নেতার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।
সব মিলিয়ে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারেক রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে মাঠে নামছেন বলে মনে করা হচ্ছে।