ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২

রাকিব

সিনিয়র রিপোর্টার

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদের

জাতীয় ডেস্ক . ২৪ নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ৩০ ১৬:১৫:০৪
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশ মন্ত্রিপরিষদের

রাকিব: আসন্ন গণভোটকে সামনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে যেকোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা থেকে বিরত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোট ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

ইসির বিশেষ নির্দেশনা

এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে কোনো পক্ষের হয়ে প্রচার চালাতে পারবেন না এবং এ নির্দেশ অমান্য করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব দপ্তরে অফিসিয়ালভাবে জানানো হবে

ইসির নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে শুক্রবার গণমাধ্যমকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করা হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারের বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসিয়ালি জানিয়ে দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে অনেকেই বিষয়টি জেনেছেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হবে এবং নির্দেশনা কঠোরভাবে মানা হবে।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা

এদিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক বলেন, “আগে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বিধিনিষেধ না থাকায় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু এখন নির্বাচন কমিশন বিধিনিষেধ আরোপ করায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো প্রচারণায় অংশ নেবেন না।”

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থান গণভোটে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ