
নিজস্ব প্রতিবেদন: কাশ্মীর সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম সামা নিউজ একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে—ভারতের ‘অপারেশন সিদুর’ অভিযানে অন্তত ২৫০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। যদিও ভারত সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি, তবুও প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সামা নিউজ জানিয়েছে, জুনের শেষদিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর হঠাৎ করে গোলাগুলির মাত্রা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। তারই প্রেক্ষিতে ভারত ‘অপারেশন সিদুর’ নামে একটি সামরিক অভিযান চালায়। কিন্তু পাকিস্তানি সূত্রের দাবি, এই অভিযান প্রত্যাশিত সফলতা এনে দিতে পারেনি, উল্টো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ভারতীয় বাহিনী।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চারজন যুদ্ধবিমান চালক এবং তিনজন রাফায়েল জেট পাইলট। আদমপুর বিমানঘাঁটির এস-৪০০ ইউনিট পরিচালনাকারী পাঁচজন প্রযুক্তিগত কর্মকর্তা ও ৯৩ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড এবং ১০ ইনফ্যান্ট্রি জি-টপ পোস্টের কয়েকজন অভিজ্ঞ সেনাও নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ভারত সরকার এখনো এ তথ্য গোপন রেখেছে। নিহত সেনাদের নাম, ছবি বা তাদের পরিবারের শোকপ্রকাশ যেন জনসম্মুখে না আসে, সে জন্য পরিবারগুলোকে সামাজিক মাধ্যমে কিছু না বলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। অনেকেই একে "নীরব সেন্সরশিপ" বলে উল্লেখ করছেন।
তবে কিছু সামরিক সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, অন্তত ১০০ নিহত সেনাকে মরনোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মাননার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের ‘বুনিয়ান’ ও ‘মারসুস’ অভিযানে সাফল্য উদযাপন করছে এবং একে বিজয় দিবস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের দাবি, এই অভিযানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, এস-৪০০ ইউনিট এবং ভারতীয় কয়েকটি ঘাঁটিতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে। পাঠানকোট ও উধমপুর ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও ভারত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে কিছু ঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ মিলেছে, তবে সামা নিউজের প্রতিবেদন কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, বিশেষত যখন পাকিস্তান সরকার নিজেও এ ধরনের বড় প্রাণহানির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
যদিও ভারতীয় পক্ষ থেকেও এখনো কোনো স্বীকৃতি মেলেনি, তবে সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা যে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা আর অস্বীকার করা যাচ্ছে না।
সোহাগ/

প্রবল শক্তি নিয়ে জাপানের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’। এর প্রভাবে টোকিওসহ পূর্ব জাপানের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী বৃষ্টি, ঝোড়ো বাতাস, বন্যা ও ভূমিধসের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুর্যোগের আশঙ্কায় বিভিন্ন এলাকায় ১৯ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে

সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য প্রতিদিনের রিয়ালের বিনিময় হার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশে পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সৌদি রিয়ালের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্য কত, তা জানার আগ্রহ থাকে অনেকেরই।
২০ ঘণ্টা আগে

প্রবাসী আয়, আন্তর্জাতিক লেনদেন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার দাম বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
২০ ঘণ্টা আগে

দেশের মুদ্রাবাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার দাম ওঠানামা করছে। এর মধ্যে প্রবাসী আয়, আন্তর্জাতিক লেনদেন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হারও অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
২০ ঘণ্টা আগে

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আজ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার হালনাগাদ করা হয়েছে। সৌদি রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, কুয়েতি দিনার, কাতারি রিয়াল, ওমানি রিয়ালসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্য আজ কিছুটা বেড়েছে।
১ দিন আগে

সিঙ্গাপুরের মুদ্রা সিঙ্গাপুর ডলার বা এসজিডির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিয়ে প্রবাসী ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারীদের আগ্রহ থাকে। প্রতিদিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী এই হার কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
১ দিন আগে

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আজকের মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৩০ মিনিটের আপডেট অনুযায়ী, ১ মালয়েশিয়ান রিংগিতের বিনিময় হার ৩০ টাকা। এর আগের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর ১ রিংগিতের বিনিময় হার ছিল ৩০ টাকা ৫ পয়সা।
১ দিন আগে

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আজকের সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার আপডেট অনুযায়ী, সৌদি ১ রিয়ালের বিনিময় হার ৩২ টাকা ৫৩ পয়সা। এর আগের দিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১ রিয়ালের হার ছিল ৩২ টাকা ৮১ পয়সা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে রিয়ালের বিনিময় হার কমেছে।
১ দিন আগে

হিমালয় অঞ্চলে দ্রুত পরিবর্তন এবং হিমবাহ গলে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের জন্য বড় ধরনের প্রাকৃতিক ও পানিসংক্রান্ত ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকরা। ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, চীন, আফগানিস্তান ও মিয়ানমার।
২ দিন আগে