
নিজস্ব প্রতিবেদন: বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এক উত্তেজনার আঁচ মিলেছে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ইসলামাবাদ এমন একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী সাময়িকী ফরেন অ্যাফেয়ার্স।
পাকিস্তান বরাবরই তার পারমাণবিক শক্তিকে ভারতের সামরিক আধিপত্যের পাল্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করে। কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা মহল আশঙ্কা করছে, ইসলামাবাদের লক্ষ্য হয়তো কেবল দিল্লি নয়, বরং আরও বড় পরিসরে—বিশ্ব কৌশলগত নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলাই আসল উদ্দেশ্য।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান যে ধরনের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) উন্নয়নে মনোযোগ দিচ্ছে, তা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর ক্ষমতা রাখে। এর ফলে ইসলামাবাদ এখন আর শুধু আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং এক পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করছেন, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলামাবাদ পরোক্ষভাবে বার্তা দিচ্ছে: যদি যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পারমাণবিক স্থাপনায় আগাম হামলার চেষ্টা করে, তবে তার প্রতিক্রিয়া হতে পারে ভয়াবহ।
১৯৭৪ সালে ভারতের পরমাণু পরীক্ষার পর থেকেই পাকিস্তান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি গতিশীল করে তোলে। ১৯৯৮ সালে ছয়টি সফল পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে দেশটির কাছে প্রায় ১৬৫টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগত বোমা ও স্বল্প-মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, যা দ্রুত ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় রাখা হয়েছে।
পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও বিস্ফোরণ নিষেধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সই করেনি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা’র সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে দেখছেন ভিন্ন চোখে—তাদের মতে, এই অবস্থান বিশ্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য এক দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ।
প্রতিবেদন বলছে, যখন চীন তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত বাড়াচ্ছে এবং রাশিয়া অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিকে উপেক্ষা করছে, তখন পাকিস্তানের এই নতুন গতিপথ যুক্তরাষ্ট্রকে একইসঙ্গে চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং এখন পাকিস্তানের মতো চারটি পারমাণবিক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের এই উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ শুধু দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি নয়, গোটা বিশ্বের নিরাপত্তা ভারসাম্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ইসলামাবাদের আচরণ ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন ডেকে আনতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোহাগ/

সৌদি আরবে কর্মরত লাখ লাখ প্রবাসী এবং দেশে থাকা তাদের পরিবারের আর্থিক পরিকল্পনা ও লেনদেনের সুবিধার্থে প্রতিদিনের মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। রেমিট্যান্স পাঠানো কিংবা যেকোনো বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ রেট জানা থাকলে সঠিক বাজেট তৈরি করা অনেক সহজ হয়। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ বাংলাদেশের বাজারে ১ সৌদি রিয়াল (SAR) সমান ৩২.৮৯ বাংলাদেশি টাকা (BDT) হিসেবে লেনদেন হচ্ছে। এর আগে গত ২৩ জুলাই এই হার ছিল প্রায় ৩২.৯৭ টাকা, যার ফলে বিগত দিনের তুলনায় আজ রিয়ালের মূল্য কিছুটা কমেছে।
৮ ঘণ্টা আগে

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
১ দিন আগে

বিশ্বজুড়ে আবারও বেড়েছে ভূমিকম্পের তৎপরতা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাধিক ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে অন্তত ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ২ দশমিক ০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে ভূকম্পন রেকর্ড হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
১৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোর একটি হলো বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, কুয়েত, ওমান, সিঙ্গাপুর, ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিস্তার এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছেও প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
১৯ জুলাই ২০২৬

পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার জমির মূল্য এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল রিয়েল এস্টেট বাজারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর আশপাশের জমির দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর জমির মূল্যের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করছে। ধর্মীয় গুরুত্ব, সীমিত জমি, বিপুল সংখ্যক মুসল্লির আগমন এবং সৌদি আরবের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্প সবকিছু মিলিয়ে এই দুই শহরের ভূমির মূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
১৮ জুলাই ২০২৬

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো অঞ্চলে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের কম্পন শুধু মেক্সিকোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পার্শ্ববর্তী গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরেও তা স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সম্ভাব্য সুনামির ঝুঁকি বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকাগুলোর জন্য সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে উপকূলজুড়ে শুরু হয়েছে সতর্কতা, উদ্বেগ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের তৎপরতা।
১৮ জুলাই ২০২৬

বিদেশে কর্মরত লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি, আমদানি-রপ্তানিকারক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং বিদেশ ভ্রমণপ্রত্যাশীদের জন্য প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের ওপর নির্ভর করে প্রতিদিনই মুদ্রার দামে কিছু না কিছু পরিবর্তন ঘটে।
১৪ জুলাই ২০২৬

ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার পথে একটি বড় অগ্রগতি হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশ ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং অ্যাস্ট্রা দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সমঝোতা শুধু দুই দেশের সামরিক সম্পর্কই নয়, বরং পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
৯ জুলাই ২০২৬

বিদেশি পর্যটক, দক্ষ পেশাজীবী এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে প্রবেশ এবং বসবাসের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় পর্যটক ভিসা অনুমোদন, বিনিয়োগকারীদের আবাসিক ভিসার নিয়ম শিথিল করা এবং চিকিৎসাপ্রার্থীদের জন্য নতুন স্মার্ট মেডিকেল ভিসা চালুর উদ্যোগ।
৪ জুলাই ২০২৬