
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে লন্ডনের দ্য ডরচেস্টার হোটেলে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ একে ফলপ্রসূ বলে অভিহিত করেছে।
বিএনপির উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, নির্বাচনকালীন সরকার, বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক অচলাবস্থা অনেকটাই কাটতে শুরু করেছে। আলোচনার পর যে সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সংকট নিরসনে সহায়ক হবে।
এই আলোচনার পেছনে কয়েকটি বিষয় সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রথমত, দুই পক্ষের মধ্যেই সমঝোতার ইচ্ছা ছিল স্পষ্ট। কেউ কাউকে দোষারোপ না করে আগামী দিনের পথ খোঁজার দিকেই মনোযোগী ছিলেন।দ্বিতীয়ত, আলোচনায় নির্বাচনের সময়কাল নিয়ে কিছুটা স্পষ্টতা আসে। প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে হতে পারে, তবে অনুকূল পরিস্থিতিতে তা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও আয়োজন সম্ভব।তৃতীয়ত, বৈঠকে নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান এবং তা ঘিরে সম্ভাব্য ঝুঁকিও আলোচনায় এসেছে। এনসিপিএ’র মতো ছাত্রভিত্তিক সংগঠন নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও এবি পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা এই বৈঠককে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।চতুর্থত, বিএনপির পক্ষ থেকে বিরোধ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার মনোভাব স্পষ্ট করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি সংকেত।পঞ্চমত, ড. ইউনূস নির্দিষ্ট সময় না বললেও সংস্কার ও সংলাপ এগোলে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব—এমন বার্তা দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রস্তুতির সুযোগ দিচ্ছে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান মনে করেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে যে অচলাবস্থা ছিল, তা অনেকটাই কাটতে শুরু করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, সব সংকট এখনও কাটেনি। তাঁর মতে, গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকবেই, তবে তা সমাধানের পথ হচ্ছে আলোচনা। এই বৈঠক সেই পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, দলগুলো যদি সংস্কার এবং আলোচনার প্রক্রিয়াকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে, তাহলে সামনে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ তৈরি হবে। সেই পথ যদি এই বৈঠক দিয়ে শুরু হয়, তবে নিঃসন্দেহে এটি দেশের জন্য একটি ইতিবাচক মোড়।
– সোহাগ/

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলাম
৬ দিন আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন যে, তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মূল্যায়ন ও সাধারণ বিচারবুদ্ধি (কমন সেন্স) অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একসময়ে বাংলাদেশে ঠিকই ফিরে আসবেন। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন।
৬ দিন আগে

আগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে, আর এই মাইলফলক সামনে রেখেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সরকারি মহলে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ ও দলীয় উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে যে, বিগত ছয় মাসের কর্মদক্ষতা, রাজনৈতিক ভাবমূর্তি এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের কঠোর মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল আসতে পারে। এই পরিবর্তনের ধারায় কিছু বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী তাদের দায়িত্ব হারাতে পারেন, অন্যদিকে নতুন ও পরিচ্ছন্ন মুখের অন্তর্ভুক্তি ঘটে মন্ত্রিসভার কলেবর ও কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
৫ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ও কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বিষয়টি হলো দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক ও সর্বোচ্চ পদে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন চলছে। যদিও এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির নাম নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির তিনজন জ্যেষ্ঠ ও হেভিওয়েট নেতার নাম জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
২ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া এই সাংবিধানিক পদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে আসীন হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ ভাবনা এবং মনোনয়নের মাপকাঠি নিয়ে নতুন সব তথ্য সামনে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনের উষ্ণতা আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
১ আগস্ট ২০২৬

শিক্ষাব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনা, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং চাকরির নিয়োগে ব্যর্থতার অভিযোগে ভারতের তরুণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার ও তীব্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। দিন যত গড়াচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতি ততই জটিল ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে এখন নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এক কঠিন ও ঐতিহাসিক পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেভাবে পরিস্থিতি রূপ নিচ্ছে, তাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
২৫ জুলাই ২০২৬

গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
২৫ জুলাই ২০২৬

২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের আকস্মিক পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ ২৩তম রাষ্ট্রপতির আসনে কে বসছেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া একরকম নিশ্চিত। দলটির নীতিনির্ধারক ও সরকারি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই দৌড়ে মূলত দলের শীর্ষস্থানীয় তিন নেতা এবং একজন দক্ষ আমলার নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
২৫ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হওয়া দেশজোড়া আলোচিত ভিডিও ও বিতর্ক নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণী নিজেই গাজী নজরুলের আজীবন সেবা করার চরম আবদার করেছিলেন।
২৪ জুলাই ২০২৬