
নিজস্ব প্রতিবেদক: গবেষণায় দেখা গেছে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বিষণ্নতায় (ডিপ্রেশন) আক্রান্ত হন বেশি। বিষয়টি কেবল আবেগপ্রবণতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়—এর পেছনে রয়েছে শারীরবৃত্তীয়, সামাজিক ও মানসিক নানা কারণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেয়েদের জীবনের বিভিন্ন ধাপে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনগুলো তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলে।
চলুন জেনে নিই, মেয়েদের বিষণ্নতা বেড়ে যাওয়ার পেছনে কোন কোন কারণগুলো কাজ করে:
১. হরমোনজনিত পরিবর্তন
মাসিক চক্র, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্মদানের পরবর্তী সময় এবং মেনোপজ—এই সময়গুলোতে নারীদের শরীরে হরমোনের বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এই ওঠানামা তাদের আবেগের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে, যা বিষণ্নতার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
২. সামাজিক চাপ ও ভূমিকা পালনের চাপ
নারীরা পরিবার, সমাজ এবং কর্মজীবনে একাধিক দায়িত্ব পালন করেন। ‘ভালো মেয়ে’, ‘ভালো স্ত্রী’ কিংবা ‘ভালো মা’ হওয়ার চাপে অনেক সময় নিজেদের চাওয়া-পাওয়াকে দমন করতে হয়। এই অবদমন ধীরে ধীরে মানসিক চাপ ও হতাশায় রূপ নেয়।
৩. সহিংসতা ও হয়রানির অভিজ্ঞতা
নারীরা অনেক বেশি পারিবারিক সহিংসতা, যৌন হয়রানি ও সামাজিক নির্যাতনের শিকার হন। এসব ঘটনা তাদের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক নিরাপত্তা নষ্ট করে দেয়, যা বিষণ্নতার গভীর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৪. আবেগ প্রকাশে বাধা ও সামাজিক অবহেলা
মেয়েরা তাদের কষ্ট বা অনুভূতি প্রকাশ করলেও তা অনেক সময় গুরুত্ব পায় না। অনেকেই তাদের ‘অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ’ বলে অবজ্ঞা করেন। এতে করে আবেগ জমে থাকতে থাকে, জন্ম নেয় এক ধরনের নিঃসঙ্গতা ও হতাশা।
৫. আত্মপরিচয় ও আত্মমর্যাদার সংকট
বিশেষ করে কিশোরী ও তরুণীদের ক্ষেত্রে সমাজের সৌন্দর্যের মাপকাঠি, শরীর নিয়ে মন্তব্য বা তুলনার কারণে নিজেদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে। এতে আত্মসম্মানবোধে আঘাত লাগে এবং দীর্ঘমেয়াদে বিষণ্নতার ভিত্তি তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষণ্নতা কোনো লজ্জার বিষয় নয়। সময়মতো সহানুভূতিশীল মনোযোগ, মানসিক চিকিৎসা ও পারিবারিক সহায়তা মেয়েদের মানসিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা এবং সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।
– আশা/

আমরা প্রতিদিন অজান্তেই অসংখ্যবার নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিই। কখনও অভ্যাসবশত, কখনও অস্বস্তি দূর করতে, আবার কখনও একেবারেই অচেতনভাবে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই সাধারণ অভ্যাসই অনেক সময় বিভিন্ন সংক্রমণ, ত্বকের সমস্যা এমনকি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
১৭ জুলাই ২০২৬

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সঠিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় থাকে।
১৪ জুলাই ২০২৬

বর্তমান বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণগুলোর একটি হলো ক্যানসার। প্রতি বছর লাখো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের অনেক ধরনের ঝুঁকি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার মাধ্যমে অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১৪ জুলাই ২০২৬

অনেকেই দিনের শুরু করেন এক গ্লাস পানি পান করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি অভ্যাস। এটি শুধু শরীরকে সতেজ রাখে না, বরং বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করে, তাহলে দেশটির ওপর এমন পরিস্থিতি নেমে আসবে, যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
১৬ জুন ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হামের বিস্তার। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার হিসাব পরিস্থিতিকে আরও চিন্তার মধ্যে ফেলেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে চাপ।
২৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশে থাইরয়েড রোগ এখন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে থাইরয়েডজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এর মধ্যে নারীদের আক্রান্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তদের অধিকাংশই জানেন না যে তারা এই রোগে ভুগছেন।
২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, আর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হাম রোগে হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৮ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
১৫ মে ২০২৬

কয়েক দফা পতনের পর বিশ্ববাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে স্বর্ণের দামে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
১৭ এপ্রিল ২০২৬