
নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের বিলাসপুর ইউনিয়ন—এ যেন এক অনির্বাণ অশান্তির নাম। প্রায় চার দশক ধরে আধিপত্যের লড়াইয়ে বিপর্যস্ত এই জনপদ। প্রতিপক্ষ দুটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বারবার ব্যবহৃত হচ্ছে ভয়ঙ্কর হাতবোমা। প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ, আহত হয়েছেন হাজারো। আতঙ্ক এখন গ্রামবাসীর নিত্যসঙ্গী।
এই দীর্ঘ রাজনৈতিক সংঘাতের মূলে আছেন কুদ্দুস ব্যাপারী ও জলিল মাদবর। কুদ্দুস, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, আর জলিল মাদবর, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রভাবশালী নেতা। ২০০১ সালে কুদ্দুস ব্যাপারীর পক্ষ থেকে প্রথম বোমাবাজির মাধ্যমে সংঘর্ষের সূচনা ঘটে। এরপর থেকে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে হাতবোমা হয়ে ওঠে নিত্যপ্রয়োজনীয় অস্ত্র।
এই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছে অনেক তরুণ, যেমন ২৫ বছর বয়সী সজীব এবং স্কুলছাত্র সৈকত। সজীবের মা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমার ছেলেটা তো গেলই, এখনো প্রতিদিন মনে হয় আমাদের বাড়িটা টার্গেট।" সৈকতের পরিবারও বোমার আতঙ্কে স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছে।
শুধু প্রাণহানিই নয়, বহু মানুষ আহত হয়ে পঙ্গু জীবনযাপন করছেন। একজন জানান, “বোমার স্প্লিন্টারে হাতটা উড়ে গিয়েছিল, এখন সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে কষ্ট হয়।”
তবে প্রশ্ন জাগে—এই বোমা তৈরির উৎস কোথায়? স্থানীয় সূত্র বলছে, কুদ্দুস ব্যাপারীর ভাই নুর ইসলাম ব্যাপারী গোটা এলাকায় বোমা তৈরির সরঞ্জাম সরবরাহ করেন। আর বাড়ির ভেতর, নৌকায় বা নির্জন স্থানে বসে দক্ষ কারিগরেরা মাত্র পাঁচ মিনিটেই তৈরি করেন একটি বোমা। একশ’টি বোমা বানিয়ে পান ৪০ হাজার টাকা মজুরি।
গ্রামের মানুষ এখন ভয় আর নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। কেউ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন, কেউ আবার রয়ে গেছেন দুঃসহ আতঙ্কে। এক বাসিন্দার কথায়, “বোমা শুধু একটা বাড়িকে না, পুরো গ্রামের জীবনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রশাসন দেখেও যেন কিছু করতে পারছে না।”
বিগত দুই সংসদ সদস্য কুদ্দুস এবং জলিল নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহিংসতা বন্ধের চেষ্টা করলেও ফল মেলেনি। একপক্ষ বলছে, “জলিল মাদবর থাকলেই আমরা অরক্ষিত,” অপরপক্ষের দাবি, “কুদ্দুস না থাকলেই শান্তি ফিরবে।”
এই রাজনৈতিক সহিংসতায় গোটা অঞ্চল এখন যেন বারুদের স্তূপে দাঁড়িয়ে। এলাকার মানুষ একটাই দাবি করছেন—নিরাপত্তা ও শান্তি। তারা শুধু চায়, আবার যেন নিজের ভিটেমাটিতে নির্ভয়ে বাঁচা যায়।
রাকিব/

অবশেষে আসছে সেই প্রতীক্ষিত সুখবর! সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে নতুন বেতন কাঠামোর মাধ্যমে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকেই শুরু হতে পারে নবম পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন।
১ দিন আগে

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ এখন দৃশ্যমান রূপ নিতে শুরু করেছে।
১ দিন আগে

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর জন্য বড় সুখবর দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই তালিকা থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না; সকলেই যোগদানের সুযোগ পাবেন।
২ দিন আগে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এখন শিক্ষার্থীদের মূল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ২য় মেরিট লিস্ট।
২ দিন আগে

রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হঠাৎ করেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
২ দিন আগে

মে মাসে এলপিজির দামে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। রবিবার ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ১ হাজার ৯৪০ টাকা রাখা হয়েছে, যা সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
২ দিন আগে

National University Bangladesh-এ ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। রবিবার (৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ASM Amanullah আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর দীর্ঘ ১১ বছর পর অবশেষে আসতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে বলে জানা গেছে।
২ দিন আগে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন এক ভাইরাল ট্রেন্ডে মেতে উঠেছে ব্যবহারকারীরা। নিজেদের প্রোফাইলকে এখন অনেকেই ক্রেয়ন আঁকার মতো শিশুসুলভ ও কল্পনাপ্রবণ স্টাইলে সাজিয়ে তুলছেন। রঙিন, সহজ এবং কিউট ডিজাইনের এই প্রোফাইল আর্টে যুক্ত করা হচ্ছে ফুল, তারা, মেঘ, হাসিমুখ সূর্যসহ নানা ধরনের মিষ্টি উপাদান, যা পুরো ফেসবুক নিউজফিডকেই এক ধরনের রঙিন খাতার পাতার মতো করে তুলেছে।
৩ দিন আগে