
রিপোর্টার

বল হাতে অবিশ্বাস্য এক বছর পার করে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে শুরু করে আইপিএল (IPL), বিপিএল (BPL), এবং আইএল টি-টোয়েন্টি (ILT20)—সবখানেই ছিল মুস্তাফিজের জয়জয়কার। এক পঞ্জিকাবর্ষে টি-টোয়েন্টিতে পেসারদের মধ্যে সর্বনিম্ন ইকোনমি রেটের বিশ্বরেকর্ড গড়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ভারতীয় পেস সেনসেশন জাসপ্রিত বুমরাহকে।
রেকর্ড ভাঙা পরিসংখ্যান২০২৫ সালে মুস্তাফিজুর রহমান মোট ৪৩টি ইনিংসে বোলিং করেছেন। এই দীর্ঘ পথচলায় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং জাতীয় দলের হয়ে প্রতিটি ম্যাচেই তিনি ইনিংসের সবচেয়ে কঠিন সময় অর্থাৎ ‘ডেথ ওভারে’ বোলিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবুও সারা বছরে তাঁর ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮।
এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ’র ২০১৬ সালের দীর্ঘদিনের সেই রেকর্ড। ২০১৬ সালে বুমরাহ’র ইকোনমি রেট ছিল ৬.৯১। দীর্ঘ ৯ বছর পর কোনো পেসার হিসেবে বুমরাহকে সিংহাসনচ্যুত করলেন বাংলার ফিজ।
যেভাবে এল এই সাফল্য২০২৫ সালে মুস্তাফিজের কাটার আর স্লোয়ারের গোলকধাঁধায় দিশেহারা ছিলেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটাররা। বিশেষ করে আইপিএল এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক সিরিজে তাঁর বোলিং ছিল চোখে পড়ার মতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়ার সেই ঐতিহাসিক স্পেলটি ছিল তাঁর এই রেকর্ডের অন্যতম চাবিকাঠি। এছাড়া ডেথ ওভারে ধারাবাহিক ডট বল করার ক্ষমতা তাঁকে এই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বাংলার কাটার মাস্টারের পুনর্জন্মমাঝখানে কিছুটা ফর্মহীনতায় ভুগলেও ২০২৫ সালে মুস্তাফিজ ফিরেছেন তাঁর সেই পুরোনো বিধ্বংসী রূপে। টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করার পাশাপাশি ইকোনমির এই রেকর্ড প্রমাণ করে এখনো ফুরিয়ে যাননি তিনি। বরং অভিজ্ঞতার সাথে সাথে তাঁর বোলিং এখন আরও ধারালো ও নিয়ন্ত্রিত।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজ ইতোমধ্যেই নিজেদের করে নেওয়া টাইগাররা শেষ ম্যাচ জিতে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও ইনিংসের শুরুটা মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি।
১৪ জুন ২০২৬

ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুতেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।
১১ জুন ২০২৬

ঐতিহাসিক এক জয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে নিজেদের শক্তির জানান দিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি টাইগাররা, গড়েছে একের পর এক অনন্য কীর্তিও। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে কোনো টেস্ট সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ধবলধোলাই করলেন নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
২০ মে ২০২৬