
বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে নতুন শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস এইচএমপিভি (হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস)। করোনাভাইরাসের মতো মারাত্মক না হলেও এর লক্ষণগুলো অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক এবং দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। সঠিক সতর্কতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই ভাইরাস থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
এইচএমপিভি হলো একটি শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস যা সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বর, এবং শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ সৃষ্টি করতে পারে। এটি বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ভাইরাসটি মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে, সংস্পর্শে আসা বস্তু, কিংবা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়।
হাত পরিষ্কার রাখা ভাইরাস প্রতিরোধের প্রথম ধাপ।
বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরিধান করা বাধ্যতামূলক।
বারবার স্পর্শ করা জিনিসপত্র যেমন দরজার হাতল, লাইটের সুইচ, স্মার্টফোন, এবং কিবোর্ড নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করুন।
যেসব ব্যক্তি সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন, তাদের থেকে দূরে থাকুন।
জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
যদি শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর বা অন্যান্য গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এইচএমপিভি ভাইরাসের প্রভাব থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করার জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন এবং সুস্থ থাকুন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সতর্কতা অবলম্বন করলে এবং জীবনযাপনে কিছু নিয়ম যুক্ত করলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব।