
আইপিএল ২০২৪ আসরের নিলামে বাংলাদেশের ১২ জন ক্রিকেটার নাম নিবন্ধন করেছিলেন। তবে তাদের মধ্যে মাত্র দুজন—মুস্তাফিজুর রহমান এবং রিশাদ হোসেন নিলামের টেবিলে উঠলেও কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। ফলে বাংলাদেশের কেউই এবারের আইপিএলে জায়গা পাননি।
এই পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার (২৭ নভেম্বর) মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দল না পাওয়ার কারণ এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে তিনি খোলামেলা মন্তব্য করেছেন।
নাজমুল আবেদিন বলেন,
“ব্যক্তিগতভাবে এটি আমাকে কষ্ট দেয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমি যদি জায়গা না পাই, তার মানে আমাদের মানের ঘাটতি আছে। আমাদের ক্রিকেটারদের মান নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।”
গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের কারণে আইপিএলে তাসকিন আহমেদকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। এটি প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন,
“ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলোয়াড় পাঠানো কোনো দেশীয় বোর্ডের হাতে থাকে না। যোগ্যতা থাকলে ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেরাই খেলোয়াড় নেবে। আমাদের কয়েকজন পেসারের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই সুযোগ আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। এ ধরনের আন্তর্জাতিক মঞ্চ কাজে লাগানোর বিষয়টি আমাদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।”
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আফগানিস্তান একটি আদর্শ উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“আফগানিস্তান তাদের খেলোয়াড়দের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে জায়গা করে দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছে। এর ফলে তাদের খেলোয়াড়ের সংখ্যা নিয়মিতভাবে বাড়ছে। আমরা এই জায়গায় পিছিয়ে আছি। আমাদের এই ধরনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”
মুস্তাফিজুর রহমান, যিনি এর আগে রাজস্থান রয়্যালস এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন, এবার দল পাননি। এটি নিয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য না এলেও ধারণা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের অভাব তার না পাওয়ার অন্যতম কারণ।
ফাহিমের মতে, এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন,
“আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এখান থেকে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়।”
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে দল না পাওয়া হতাশাজনক হলেও এটি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে নতুন কৌশল তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন বিসিবি পরিচালক। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মান উন্নয়ন এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে তাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই হতে পারে সামনের দিনের লক্ষ্য।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৪ ঘণ্টা আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
৬ দিন আগে

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৩৮০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চাপে পড়েছে Worcestershire। Kent-এর বিপক্ষে County Championship Division Two-এর ম্যাচে দলটি ৩৯.৫ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান সংগ্রহ করেছে। ফলে জয়ের জন্য তাদের এখনও প্রয়োজন ২৪০ রান।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬