
রিপোর্টার

চায়ের দেশ সিলেটে বিপিএলের উন্মাদনা এখন গগনচুম্বী। আজ টুর্নামেন্টের চতুর্থ ম্যাচে নিজেদের ডেরায় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের মুখোমুখি হয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স। টস ভাগ্যের পরীক্ষায় জয়ী হয়ে সিলেটের অধিনায়ক যখন বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন, তখনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে ঘরের মাঠের চেনা কন্ডিশনের পূর্ণ ফায়দা নিতে তারা মরিয়া। শুরু থেকেই আগুনের গোল্লা ছুড়ছেন সিলেটের বোলাররা, যার তোপে ইনিংসের শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে নোয়াখালী শিবির।
পাওয়ার প্লে-তে টাইটান্সদের একচ্ছত্র রাজত্বটস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকদের বিধ্বংসী বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছে নোয়াখালীর টপ অর্ডার। পাওয়ার প্লে-তে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা তো দূরের কথা, উইকেট বাঁচাতেই প্রাণান্তকর চেষ্টা চালাতে হচ্ছে তাদের। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সংগ্রহ ৭.৫ ওভার শেষে ৩ উইকেটে মাত্র ৩৭ রান। নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেন্থ আর ফিল্ডারদের ক্ষিপ্রতায় মাত্র কয়েক ওভারের ব্যবধানেই প্রতিপক্ষের তিন টপ অর্ডার ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছে টাইটান্সরা।
সমর্থকদের গগনবিদারী চিৎকারে উজ্জীবিত সিলেটসিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারি আজ নীল-সাদা জার্সিতে সয়লাব। হাজার হাজার স্থানীয় দর্শকের আকাশ ফাটানো চিৎকারে যেন বাড়তি ডানা পেয়েছে স্বাগতিক বোলারদের গতি। বাউন্সার আর সুইংয়ের মায়াজালে নোয়াখালীর ব্যাটারদের প্রতিটি মুহূর্তে কঠিন পরীক্ষা নিচ্ছেন তারা। অন্যদিকে, পাহাড়সম চাপের মুখে থাকা নোয়াখালী এখন একটি বড় জুটির সন্ধানে প্রহর গুনছে। ক্রিজে থাকা ব্যাটারদের কাঁধে এখন বিশাল দায়িত্ব প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে দলকে একটি সম্মানজনক পুঁজিতে পৌঁছে দেওয়া।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।