
২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের সুপার স্কোয়াড ঘোষণা নিয়ে এখন থেকেই চলছে জল্পনা কল্পনা। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড তৈরি করা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এই স্কোয়াডে অভিজ্ঞ এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সংমিশ্রণ যেন দলটিকে ভারসাম্য এবং প্রতিযোগিতামূলক শক্তি দেয়। আশা করা হচ্ছে যে, চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে ভালো কিছু করার লক্ষ্যে কাজ করছে বিসিবি। আর সে জন্য দলে অভিজ্ঞ এবং তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে একাদশ সাজাতে চাইছে বিসিবি।
সম্ভাব্য স্কোয়াড বিশ্লেষণঃ
ওপেনিং বিভাগ (তামিম ইকবাল)তামিম ইকবালের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা ওপেনিংয়ে দলের জন্য ভালো ভিত তৈরি করতে পারে। বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা তামিমকে টুর্নামেন্টের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তার ব্যাটিং ধারাবাহিকতা বিশেষত কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে এগিয়ে নিতে সক্ষম ধারণা করা হচ্ছে।
(লিটন কুমার দাস)লিটনের ব্যাটিং ছন্দ আর দ্রুত রানে ফেরার ব্যাপারটা খুব কাজে দিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া উইকেটকিপিংয়ে তার দক্ষতা দলে বাড়তি সুবিধা হিসেবে আসবে।
মিডল অর্ডার (নাজমুল হোসেন শান্ত)নাজমুল শান্ত তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে টপ অর্ডারে নির্ভরযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন। শান্তর স্থিরতা ও ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিং চাপের মধ্যে দলের ব্যাটিং লাইনআপকে নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
মুশফিকুর রহিমঃমুশফিক দলের জন্য অভিজ্ঞতার প্রতীক এবং মিডল অর্ডারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখবেন। তার ব্যাটিং প্রতিভা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে দলে অবদান রাখার সক্ষমতা তাকে অপরিহার্য করে তুলেছে।
তাওহীদ হৃদয়ঃ তরুণ তাওহীদ হৃদয় দলে নতুন শক্তি ও আত্মবিশ্বাস যোগ করতে পারেন। তার ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলার দক্ষতা দলের মধ্য-পর্যায়ে স্কোর বাড়াতে সহায়ক।
অলরাউন্ডার বিভাগ (সাকিব আল হাসান)অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান তিন বিভাগেই অত্যন্ত কার্যকর। তার নেতৃত্বগুণও দলের জন্য একটি সহায়ক শক্তি হতে পারে। ব্যাট এবং বল উভয় ক্ষেত্রেই তিনি দলকে ভারসাম্যপূর্ণ করতে সক্ষম।
মেহেদী হাসান মিরাজঃমিরাজের অলরাউন্ড দক্ষতা দলের জন্য ভিন্ন পরিস্থিতিতে কৌশলগত সুবিধা আনতে পারে। ব্যাটিং এবং অফ স্পিন বোলিংয়ে তার অবদান বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে উন্নত করবে।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদঃ অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহর মিডল অর্ডারে ব্যাটিং এবং প্রয়োজনমতো বোলিং করে দলের চাপ সামাল দিতে পারবেন, বিশেষ করে যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে।
বোলিং বিভাগ (তাসকিন আহমেদ)তাসকিনের গতিময় বোলিং দলকে পাওয়ারপ্লেতে সুবিধা এনে দিতে পারে। তার বাউন্সার এবং দ্রুতগতির ডেলিভারি ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে।
মুস্তাফিজুর রহমানঃডেথ ওভারের বোলিংয়ে মুস্তাফিজের কাটার ও স্লোয়ারের দক্ষতা প্রতিপক্ষের জন্য সমস্যাজনক হয়ে উঠতে পারে। তিনি ডেথ ওভারে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এনে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
এবাদত হোসেন এবং শরিফুল ইসলামঃগতি এবং আক্রমণাত্মক মনোভাবের সংমিশ্রণে এবাদত এবং শরিফুল পেস বিভাগকে আরও কার্যকর করে তুলবে। তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী ফ্ল্যাট এবং স্পোর্টিং উইকেটে বোলিং করতে দক্ষ।
তাইজুল ইসলামঃতাইজুলের স্পিন বোলিং মিডল ওভারে রান আটকে রাখতে সহায়ক এবং উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর। বাঁহাতি স্পিনের বৈচিত্র্য দলকে বাড়তি সুবিধা দেবে।
ব্যাকআপ পেসারঃ তানজিম সাকিবঃ তানজিমের সুইং এবং স্পট বলিং তারেক দলে গতি এবং সঠিক ডেলিভারি প্রদান করতে সক্ষম। নতুন বলের সুইং এবং ডেথ ওভারের জন্য তিনি একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প হতে পারেন।
অতিরিক্ত অলরাউন্ডারঃ সৌম্য সরকারঃসৌম্য তার ব্যাটিং ও মিডিয়াম পেস বোলিংয়ের কারণে বিশেষ পরিস্থিতিতে দলকে ভারসাম্য প্রদান করতে সহায়ক। তার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা দলকে শক্তিশালী ব্যাকআপ হিসেবে সুরক্ষা দেয়।
এই সম্ভাব্য স্কোয়াড অভিজ্ঞ এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে, যারা ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশকে একটি প্রতি

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যেন বদলে গেছে বাংলাদেশ! ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে ডারউন টেস্টে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে এরই মধ্যে লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।
১৫ ঘণ্টা আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর রোমাঞ্চের এক নতুন অধ্যায় রচনা করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই বিশ্বকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে প্রথম সেশনেই একের পর এক আঘাত হানেন টাইগার পেসাররা। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগেই অজি শিবিরের টপ অর্ডারের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দারুণ ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে

আইপিএলের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আলো ছড়ানো তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলকে একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
২ দিন আগে

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে এসেছে এক দারুণ স্বস্তির ও আনন্দের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি বা চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে থাকার পর অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত স্কোয়াডে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার লিটন কুমার দাস।
২ আগস্ট ২০২৬

প্রথম টি-টোয়েন্টির পরাজয়ের জবাব দারুণভাবেই দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং ই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১-১ সমতায়, ফলে শিরোপা নির্ধারণ হবে শেষ ম্যাচে।
১৭ জুলাই ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বহুল প্রতীক্ষিত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই লড়াই ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে, আর মাঠের খেলাও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে শুরু করেছে।
২৫ জুন ২০২৬

শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ধরা দিল না বাংলাদেশের হাতে। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশা জাগিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ দুই ওভারের কঠিন সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। ৭ রানের হার মেনে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়। ফলে স্বাগতিক বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৯৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জমে উঠেছে রানের লড়াই। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ফলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে দাঁড়ায় ১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
১৯ জুন ২০২৬