
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব যখন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও কৌশলগত অস্থিরতায় টালমাটাল, ঠিক সেই মুহূর্তে একযোগে সামরিক প্রস্তুতির ঘোষণা দিল রাশিয়া ও চীন। ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘায়ন এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে এই দুই পরাশক্তির ঘনিষ্ঠতা এখন আর কেবল কূটনৈতিক নয়—তারা এগোচ্ছে সুস্পষ্ট সামরিক সহযোগিতার দিকেও।
সম্প্রতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় দিবস উপলক্ষে মস্কোতে আয়োজিত এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে সম্মানিত অতিথি হিসেবে অংশ নেয় চীনের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল। এটি শুধু আনুষ্ঠানিক সৌজন্য নয়—বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল রাশিয়া-চীন সামরিক ঐক্যের একটি প্রতীকী ঘোষণা।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়াং বিন বলেন, “চীন-রাশিয়ার সামরিক সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আমাদের যৌথ প্রয়াস কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে এবং পারস্পরিক আস্থা আরও দৃঢ় করবে।”
বন্ধুত্বের ভিত্তিতে সামরিক জোট?
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা ক্রমশ গভীর হয়েছে—কেবল রাজনৈতিক বিবৃতিতে নয়, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, এমনকি যৌথ সামরিক মহড়াতেও। বেইজিং ও মস্কোর মধ্যে একে অপরের প্রতি নির্ভরতাও বেড়েছে।
সম্প্রতি মস্কো সফরে গিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বিশ্বে ইতিবাচক শক্তির প্রতীক। আধিপত্যবাদ ও একতরফা নীতির বিরুদ্ধে আমরা একসঙ্গে অবস্থান করছি।”
পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গি: নিরপেক্ষতা নাকি পক্ষপাত?
তবে চীনের এই ঘনিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে প্রশ্ন উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পাশে অবস্থান নেওয়াকে অনেকেই বলছেন 'পরোক্ষ সমর্থন'।যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মতে, চীন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়াকে সহায়তা করে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে।
বেইজিং অবশ্য এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, তারা কোনো পক্ষ নেয়নি বরং শান্তির পক্ষে অবস্থান করছে। চীনের বক্তব্য, “যারা নিজেরা অস্ত্র পাঠায়, তারা আমাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে—এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই নয়।”
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে: বহুমুখী কৌশল
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পেছনে রয়েছে গভীর কৌশলগত লক্ষ্য:
* ইউরেশিয়ায় প্রভাব বিস্তার
* ন্যাটোকে চাপে রাখা
* ডলারভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে সরে বিকল্প মুদ্রা ব্যবহারের প্রচেষ্টা
* এবং দীর্ঘমেয়াদে তাইওয়ান ইস্যুতে রাশিয়ার সমর্থন নিশ্চিত করা
তুন শীতল যুদ্ধের সূচনা?
এই প্রেক্ষাপটে রাশিয়া-চীনের সামরিক ঐক্য কেবল একটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়—বরং বিশ্ব রাজনীতিতে একটি দীর্ঘমেয়াদি শক্তির পুনর্বিন্যাস। অনেক বিশ্লেষক এটিকে ‘নতুন কোল্ড ওয়ার’-এর পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।
প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—এই জোট কি বিশ্বে শান্তির বার্তা বয়ে আনবে, নাকি আরও বড় উত্তেজনার সূচনা ঘটাবে?
সম্ভবত, এই প্রশ্নের উত্তর ভবিষ্যতের হাতেই। তবে ইতিহাস জানে—যখন দুই পরাশক্তি হাতে হাত রাখে, তখন বিশ্ব মানচিত্রে নতুন রেখা আঁকা হয়।
সোহাগ আহমেদ/

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৮ ঘণ্টা আগে

থাইল্যান্ডে মেলিওয়ডোসিস বা ‘সয়েল ফিভার’ নামে পরিচিত মাটিবাহিত রোগে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির নিম্ন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চারটি প্রদেশে এ রোগে ৫৭০ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৪৫ জন। দূষিত মাটি ও পানির সংস্পর্শ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় কৃষক ও সাধারণ বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
১০ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা পাহাড়ধসের মতো দুর্যোগ নিয়ে আলোচনা বেশি হলেও প্রাণহানির হিসাবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে বজ্রপাত। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশে ছয় ধরনের দুর্যোগে ২ হাজার ৫৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৫৩০ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ৬০ শতাংশ।
২ দিন আগে

রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর জাপানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা ভুল করে ৯ দশমিক ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা জারি করে। তবে প্রায় আট মিনিট পরই সেই সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়। পরে জানা যায়, রাশিয়ার কামচাটকা অঞ্চলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির প্রকৃত মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯ থেকে ৭।
৬ দিন আগে

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনালে ফের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। এতে টার্মিনালটিতে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে নতুন এই হামলায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১২ অক্টোবর ২০২৬

সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চাইলে সিঙ্গাপুর ডলারের সর্বশেষ বিনিময় হার জানা জরুরি। মুদ্রার দর পরিবর্তনের কারণে প্রতিদিন দেশে পাঠানো অর্থের পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে। তাই টাকা পাঠানোর আগে ব্যাংক বা অনুমোদিত অর্থ স্থানান্তরকারী প্রতিষ্ঠানের রেট ও চার্জ যাচাই করে নেওয়া ভালো।
১২ অক্টোবর ২০২৬

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের বিনিময় হার ও চার্জে পার্থক্য রয়েছে। ১১ অক্টোবর ২০২৬ সালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ান ১ রিঙ্গিতের বিনিময় হার ৩০ টাকা ১৯ পয়সা। আগের দিন এই হার ছিল ৩০ টাকা ১৮ পয়সা।
১২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের বিনিময় হার এবং খরচে পার্থক্য রয়েছে। ১১ অক্টোবর ২০২৬ সালের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, সৌদি ১ রিয়ালের সর্বোচ্চ বিনিময় হার ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা। তবে কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে দেশে প্রাপকের হাতে পৌঁছানো টাকার পরিমাণও ভিন্ন হতে পারে।
১২ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিনিময়মূল্যে পরিবর্তন এসেছে। রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সৌদি রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, সিঙ্গাপুর ডলার, মার্কিন ডলারসহ বেশ কয়েকটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্য বেড়েছে। তবে মালদ্বীপের রুফিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার র্যান্ডের দাম কমেছে। ভারতীয় রুপি, জাপানি ইয়েন ও ইরাকি দিনারের বিনিময়মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
১২ অক্টোবর ২০২৬