
গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৭৮ রানের বড় জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। লাহোরে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৩৩০ রান সংগ্রহ করে, যেখানে শেষ ছয় ওভারে আসে ৯৮ রান। জবাবে পাকিস্তান ৪৭.৫ ওভারে ২৫২ রানে অলআউট হয়ে যায়।
টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। তবে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় কিউইরা, মাত্র ১ রানের মাথায় শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে উইল ইয়াং (০) আউট হন। এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও রচিন রবীন্দ্র ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন। রবীন্দ্র ১৮ বলে ২৫ রান করলেও আব্রার আহমেদের বলে ক্যাচ তুলে দেন।
উইলিয়ামসন ও ড্যারিল মিচেল দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের রান রেট ৪-এর নিচে নেমে যায়। তবে মিচেল খুশদিল শাহকে ছক্কা মেরে চাপ কমান এবং পরে উইলিয়ামসনও স্বচ্ছন্দে ব্যাট চালাতে শুরু করেন। দুজন মিলে ১০০ রানের জুটি গড়লেও শাহীন আফ্রিদি ফের ধাক্কা দেন, উইলিয়ামসনকে (৫৮) ক্যাচ তুলে দিতে বাধ্য করেন।
ড্যারিল মিচেলও শতকের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন, কিন্তু ৮১ রান করে আব্রারের ফুলটস বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন। তখনও মনে হচ্ছিল, নিউজিল্যান্ড বড় সংগ্রহ গড়তে পারবে না। কিন্তু তখনই শুরু হয় গ্লেন ফিলিপসের ঝড়।
৪২তম ওভার পর্যন্ত ফিলিপস ধীরগতির ব্যাটিং করছিলেন, ৪৩ বলে করেছিলেন মাত্র ২৯ রান। তবে এরপর থেকেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। সালমান আগাকে টানা দুটি ছক্কা হাঁকানোর পর আফ্রিদি ও নাসিম শাহর ওপর ঝড় তোলেন। ৭২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ফিলিপস শেষ ৩২ বলে করেন ৭৭ রান। শেষ ওভারে আফ্রিদির এক ওভারে ২৫ রান তুলে কিউইদের সংগ্রহ নিয়ে যান ৩৩০ রানে।
নিউজিল্যান্ড: ৩৩০/৬ (৫০ ওভার)
গ্লেন ফিলিপস: ১০৬* (৭২)
ড্যারিল মিচেল: ৮১ (৮৮)
কেন উইলিয়ামসন: ৫৮ (৭১)
শাহীন শাহ আফ্রিদি: ৩/৮৮
৩৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরুটা ভালো করলেও নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। বাবর আজম (১০) ও কামরান গুলাম (১৮) দ্রুত ফিরে গেলে দল চাপে পড়ে। তবে একপ্রান্তে ফখর জামান ঝড় তুলেছিলেন। ৬৯ বলে ৮৪ রান করা ফখর ২৩তম ওভারে গ্লেন ফিলিপসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে গেলে পাকিস্তানের আশা শেষ হয়ে যায়।
মাঝে সালমান আগা (৪০), তৈয়ব তাহির (৩০) কিছুটা লড়াই করেন, কিন্তু মিচেল স্যান্টনার ও ম্যাট হেনরির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। শেষ দিকে আব্রার আহমেদের ১৫ বলে ২৩ রানের ছোট ক্যামিও কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে।
পাকিস্তান: ২৫২ (৪৭.৫ ওভার)
ফখর জামান: ৮৪ (৬৯)
সালমান আগা: ৪০ (৫১)
তৈয়ব তাহির: ৩০ (২৯)
ম্যাট হেনরি: ৩/৫৩
মিচেল স্যান্টনার: ৩/৪১
ম্যাচের ফলাফল:
নিউজিল্যান্ড ৭৮ রানে জয়ী।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তের পর ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
৩ দিন আগে

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলছে ভারত।
৩ দিন আগে

খেলাপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততায় কাটবে। ক্রিকেট, টেনিস ও ফুটবল—তিন জনপ্রিয় খেলাতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এর মধ্যে নারী এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেট ও ইউএস ওপেনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশনে।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ভারতের ইনিংস শেষে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংসের ২ দশমিক ১ ওভার শেষে ১৪ রান এসেছে, কোনো উইকেট হারায়নি নিগার সুলতানার দল।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৪ সালের নারী এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এবার সেই হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন লড়াইয়ের অপেক্ষায় নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ডাম্বুলার পর এবার দুবাইয়ের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগ্রেসরা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে ব্যস্ত সূচি। আগামী অক্টোবর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের অংশগ্রহণে বসতে যাচ্ছে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৩ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে এবারও পদকের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। তবে পদকের মঞ্চে পৌঁছাতে হলে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দুই দলকে। পুরুষ ও নারী—উভয় দলই সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিতে পারলে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে। আর সেই ধাপ পেরোতে পারলেই ব্রোঞ্জ নয়, সোনার পদকের লড়াইয়ে নামার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্রিকেটাররা যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাদের চোখেমুখে ছিল স্পষ্ট হতাশার ছাপ। আনন্দের কোনো কারণও ছিল না। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দলকে।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো রান তুলতে না পারলেও বোলারদের দুর্দান্ত লড়াইয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলেছিল মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনদের বোলিং নৈপুণ্য। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচ নিজেদের করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬